শেয়ার (Shared), ভিপিএস (VPS), Dedicated, ক্লাউড (Cloud) হোস্টিং কি?

হোস্টিং

যখনই আমরা website হোস্টিং এর জন্য হোস্টিং কিনতে কোনো website ভিজিট করি । আমরা সাধারণত দেখতে পাই এই 3 ধরনের (শেয়ার , ভিপিএস, ডেডিকেটেড ক্লাউড হোস্টিং) হোস্টিং সার্ভিস। তাই আমরা কনফিউজড হয়ে যাই কোন হোস্টিং টি কিনবেন আপনার জন্য । তাই এসব সমস্যা সমাধান এর জন্য আপনি আজকে এই পোস্ট টি লিখলাম। এই পোষ্টটি সম্পূর্ণ পড়ুন আপনার সব প্রশ্নের উত্তর আশাকরি পেয়ে যাবেন। যদি না পান তাহলে নিচে কমেন্ট করবেন। এবং উত্তর তারাতারি পেয়ে যাবেন।

সূচীপত্র দেখুন

ডেডিকেটেড সার্ভার কি? (What is a dedicated server?)

Dedicated server হলো একটু সম্পূর্ণ কম্পিউটার সিস্টেম (মনিটর ছাড়া)। বিভিন্ন কনফিগারেশনের কম্পিউটার পাওয়া যায়। আপনার website এর ট্রাফিক অনুযায়ী কম্পিউটার পছন্দ করতে পারেন।

ডেডিকেটেড কম্পিউটারটি শুধুমাত্র আপনি ব্যাবহার করবেন। যেহেতু আপনি একা ব্যাবহার করবেন তাই সম্পূর্ণ সার্ভার এর দাম দিতে হবে। যা অনেকটা দামি।

মোটামুটি 12000 টাকার থেকে শুরু ডেডিকেটেড সার্ভার। এই সার্ভার যেহেতু আপনার ওয়েবসাইট শুধুমাত্র হোস্টিং করবেন তাই বেশি ভিজিটর কে অনায়াসে প্রসেস করতে পারবে।

উদাহরণ : ধরুন আপনি গাড়ি পার্কিং করানোর জন্য একটি গ্যারেজ ভাড়া করেছেন। এবং ওই সম্পূর্ণ গ্যারেজের মধ্যে আপনি যতখুশি গাড়ি রাখতে পারেন বের করতে পারেন। যতক্ষণ না ওই গ্যারেজ ভর্তি হয় আপনি যতখুশি গাড়ী পার্ক করতে পারবেন।

ঠিক এরকম ডেডিকেটেড সার্ভার। এখানে আপনি কোনো কোম্পানি এর কাজ থেকে সার্ভার টা ভাড়া করছেন আপনার website এর ফাইল , ডাটা সমস্তকিছু রাখার জন্য। এবং ওই সম্পূর্ণ সার্ভার আপনি শুধু ব্যাবহার করবেন।

কখন ডেডিকেটেড সার্ভার ব্যাবহার করবেন?

যদি আপনার ওয়েবসাইটে নির্দিষ্ট কোনো জায়গা থেকে প্রচুর ভিজিটর আসে তাহলে ওই জায়গার আশপাশের কোনো ডেটা সেন্টার থেকে ডেডিকেটেড সার্ভার ব্যাবহার করলে আপনার ওয়েবসাইট টি খুব তাড়াতাড়ি খুলবে সেই সঙ্গে বেশি ট্রাফিক এলেও সামলাতে সক্ষম।

এছাড়াও ডেডিকেটেড সার্ভার অনেকটা নিরাপদ হ্যাক হওয়ার থেকে।

উদাহরণ: ধরুন আপনি কোনো website বানালেন যেটি আমেরিকা এর ব্যাবহারকারী কে উদ্দেশ্য করে। এবং আপনার website প্রচুর আমেরিকান ভিজিটর আসে। তাহলে আপনি website টি যদি আমেরিকার মধ্যে অবস্থিত কোনো ডেডিকেটেড সার্ভার এর মধ্যে হোস্ট করেন তাহলে website টি খুবই ফাস্ট হবে এবং বেশি ইউজার কেউ হ্যান্ডেল করতে পারবে।

কখন Dedicated Server ব্যাবহার করা ঠিক নয়

যদি আপনার ওয়েবসাইটের ইউজার বিভিন্ন দেশ থেকে আসে এক্ষেত্রে dedicated সার্ভার যদি আমেরিকা কিংবা অন্য কোনো জায়গাতে থাকে। তাহলে বাকি দূরের ইউজার রা যখন website টি ভিজিট করবে তখন অনেক slow খুলবে website টি কারণ সার্ভার টি অনেক দূরে আছে।

প্রচুর ভিজিটর সেই সঙ্গে বিভিন্ন দেশ থেকে ভিজিটর আসে তাহলে Cloud হোস্টিং নেওয়াই ভালো। (Cloud হোস্টিং সমন্ধে আমরা জানবো এই আর্টিকেল এর নিচের দিকে)

যদিও নতুন কোনো যদি website বানান তাহলে ওই website ট্রাফিক আসতে অনেক সময় লাগে। নতুন website এ শেয়ার হোস্টিং ব্যবহার করতে পারেন।

শেয়ার হোস্টিং সম্বন্ধে আমি এই পোস্টের নিচের দিকে আলোচনা করবো।

ডেডিকেটেড সার্ভার এর সুবিধা

  • বেশি ভিজিটর হ্যান্ডেল করতে পারবে।
  • সিকিউর হয়।
  • সার্ভার যেখানে থাকে সেখানকার আশেপাশে website টি খুব ফাস্ট হয়।
  • সম্পূর্ণ কন্ট্রোল আপনার ওই সার্ভার এর ওপর।

Dedicated server এর অসুবিধা

  • দাম অনেক বেশি হয়।
  • ডেডিকেটেড সার্ভার যেখানে থাকে ওই জায়গা থেকে যত দূর যাবেন তত website টি ধীরে ধীরে খুলবে।
  • সার্ভার বন্ধ হলে কিংবা মেনটেনেন্স করতে গেলে যদি বন্ধ হয় তাহলে কোনো ভিজিটর আপনার website খুলতে পারবে না।

VPS হোস্টিং কি?

VPS হোস্টিং টি ডেডিকেটেড সার্ভার এর মতই। এখানে একটি হোস্টিং পার্টিশন করে দেয় এবং আলাদা আলাদা ব্যাবহারকারী ব্যাবহার করতে পারে।

VPS এর পুরো নাম হলো ভার্চুয়াল প্রাইভেট সার্ভার (virtual private server).

প্রায় বেশিরভাগ হোস্টিং কোম্পানি ভিপিএস হোস্টিং সরবরাহ করে।

এই রকম ক্ষেত্রে হোস্টিংপ্রোভাইডার, একটি সার্ভার কে virtual ভাবে আলাদা আলাদা করে বিভিন্ন ব্যাবহারকারী কে বিক্রি করে।

উদাহরণ: আপনি যদি ডেডিকেটেড সার্ভার এর উদাহরণ টি পড়েথাকেন তাহলে এটি ভালো ভাবে বুঝতে পারবেন।

ডেডিকেটেড সার্ভার এর উদাহরণহিসেবে বলেছিলাম যেমন আপনি সম্পূর্ণ একটি গ্যারেজ কে ভাড়া করছেন।

VPS সার্ভার এর ক্ষেত্রে , গ্যারেজ সরবরাহ করা কোম্পানি, একটি গ্যারেজ কে বিভিন্ন ভাগে ভাগ করে আলাদা আলাদা করে দেয়।

এবং আপনি যদি গাড়ি এর জন্য গ্যারেজ ভাড়া করেন তাহলে কোম্পানি আপনাকে গ্যারেজ এর কিছু একটু জায়গা আপনার জন্য ঠিক করে দেবে। এবং ঐখানে আপনি গাড়ি পার্কিং করবেন।

এতে আপনার ওই জায়গায় মধ্যে কেউ পার্কিং করবেও না এবং আপনার জন্য যতটুকু জায়গা দেওয়া আছে ওই জায়গাটি ভর্তি না হওয়া পর্যন্ত আপনি গাড়ি পার্কিং করতে পারবেন।

এটা ঠিক যেমন একটি সার্ভার কে আলাদা আলাদা করে ভাগ করে দেওয়া হয়। এবং আপনার জন্য যতটা জায়গা ও CPU, RAM দেওয়া থাকে। আপনি ওই জায়গাটা ব্যাবহার করতে পারবেন। অন্য কেউ আপনার সিপিইউ, RAM ও অন্যান্য রিসোর্স ব্যাবহার করতে পারবে না।

কখন VPS ব্যাবহার করবেন

যদি নির্দিষ্ট কোনো দেশ কিম্বা আশেপাশের জায়গা থেকে ভিজিটর আসে আপনার ওয়েবসাইটে, কিন্তুু ভিজিটর এর সংখ্যা খুব বেশি নয়।

এরকম ক্ষেত্রে VPS হোস্টিং নিলে কোনো সমস্যা হবে না।

কখন VPS ব্যাবহার করা ঠিক নয়

যদি website এ বিভিন্ন জায়গা দেশ থেকে ভিজিটর আসে। (ঠিক যেমন ডেডিকেটেড সার্ভার)।

VPS Hosting এর সুবিধা

  • ডেডিকেটেড সার্ভার এর তুলনায় কম দাম।
  • একপ্রকার এটিও একটি ডেডিকেটেড সার্ভার এর মতোই, কিন্তু কম রিসৌর্স দেয়াও থাকে কম ভিসিটর এর জন্য। এতে অন্য কেউ আপনার রিসৌর্স ব্যবহার করতে পারবে না। কোনো কারো ওয়েবসাইট এ বেশি ট্রাফিক এলেও আপনার ওয়েবসাইট ডাউন হবে না।
  • সিকিউর।

VPS হোস্টিং এর অসুবিধা

  • ডেডিকেটেড সার্ভার এর মতো সম্পূর্ণ সার্ভার টি আপনার নয়। তাই সম্পূর্ণ রিসৌর্স এর ব্যবহার করতে পারবেন না। (যদিও দাম কম )
  • VPS সার্ভার টি যেখানে আছে ওই জায়গার আশেপাশের জায়গা ছাড়া দূরের জায়গাতে ওয়েবসাইট লোড হতে অনেক বেশি টাইম লাগবে।

শেয়ার হোস্টিং কি? (What is shared hosting?)

VPS হোস্টিং এর পরে আসে শেয়ার হোস্টিং।

শেয়ার হোস্টিং এ একটি সার্ভার কে স্টোরেজ কে সবাইকে সমান করে ভাগ করে দেওয়া হয়। এবং বাকি রিসোর্স কে সমস্ত ব্যাবহারকারী ব্যাবহার করে একসঙ্গে।

কিছু কিছু share হোস্টিং কোম্পানি একটি VPS সার্ভার কেই share হোস্টিং বানিয়ে দেয়। অর্থাৎ ওই VPS হোস্টিং এর জন্য যে স্টোরেজ ও রিসোর্স ছিল।

ওই স্টোরেজ কে আলাদা আলাদা করে ভাগ করে দেয় এবং বাকি রিসোর্স কে (যেমন CPU,RAM ) সবাই একসঙ্গে ব্যাবহার করে।

এতে যদি অন্য কোনো ব্যাবহারকারী এর website এ বেশি ট্রাফিক আসা শুরু করে তাহলে আপনার website ডাউন হতে পারে। কারণ রিসোর্স সবাই একই ব্যাবহার করছে।

শেয়ার হোস্টিং এ একটি কম্পিউটারের স্টোরেজ ও CPU কে অনেক ব্যাবহারকারী ব্যাবহার করে।

এতে একটু কম্পিউটার কে অনেক ব্যাবহারকারী ব্যাবহার করে নিজেদের website হোস্ট করার জন্য। আর এর জন্যই shared হোস্টিং এর দাম কম হয়।

মোটামুটি 20 টাকা থেকে শুধু shared হোস্টিং এর দাম। নির্ভর করে কম কম্পানি এর থেকে shared হোস্টিং কিনছেন সেই অনুযায়ী দাম বাড়ে সেইসঙ্গে ভালো ও বেশি website হোস্ট করানোর জন্য দাম বেশি হতে পারে।

শেয়ার হোস্টিং কখন ব্যবহার করা উচিত

সম্পূর্ণ নতুন ওয়েবসাইট কে শেয়ার হোস্টিং এ হোস্ট করলে কম খরচ। শেয়ার হোস্টিং বেশি ভিসিটর হ্যান্ডেল করতে পারে না এবং নতুন ওয়েবসাইটে বেশি ট্রাফিক আসে না। তাই প্রথম ওয়েবসাইট যদি স্টার্ট করেন তাহলে শেয়ার হোস্টিং সব থেকে ভালো।

ধীরে ধীরে যখন বেশি ভিসিটর আশা শুরু করবে তখন VPS কিংবা ক্লাউড হোস্টিং ব্যবহার করতে পারেন।

শেয়ার হোস্টিং কখন ব্যবহার করা ঠিক নয়

শেয়ার হোস্টিং খুব একটা সিকিউর নয় কারণ শেয়ার হোস্টিং এর সার্ভার কে অনেকেই ব্যবহার করে তাই কোনো একটি ওয়েবসাইট যদি হ্যাক হয় তাহলে অন্য ওয়েবসাইট টিও হ্যাক হয়ে যাওয়ার সুযোগ থাকে। কারণ টি হলো একই সার্ভারের মধ্যে।

এছাড়া যদি আপনার ওয়েবসাইট এ অনেক ট্রাফিক আশা শুরু হয় তাহলে ওয়েবসাইট লোড হতে লাগবে , এইরকম অবস্থাতে শেয়ার হোস্টিং ব্যবহার করা ঠিক নয়। এতে ওয়েবসাইট এর রাঙ্কিং খারাপ হতে পারে।

শেয়ার হোস্টিং এর সুবিধা

  • খুবই কম খরচ (আমরা প্রত্যেকেই share হোস্টিং ব্যাবহার করি নতুন website শুরু করার সময়)

শেয়ার হোস্টিং এর অসুবিধা

  • সিকিউর নয়।
  • অন্য কোনো ব্যাবহারকারী এর website এ বেশি ট্রাফিক এলে আপনার website এর স্পীড slow হতে পারে।
  • বেশি ট্রাফিক ম্যানেজ করতে পারেনা।

ক্লাউড হোস্টিং কি? (What is Cloud hosting?)

ক্লাউড হোস্টিং এর মানে হলো একটি কম্পিউটারের গ্রুপ একে অপরের সঙ্গে যুক্ত। এবং প্রতিটি কম্পিউটারে আপনার ওয়েবসাইট টি লোড করা থাকবে।

যখন কেউ আপনার ওয়েবসাইট পৃথিবীর যেকোনো স্থান থেকে ওপেন করবে ওয়েবসাইট টি ওই জায়গার নিকটবর্তী কোন সার্ভার থেকে লোড হবে যার ফলে ওয়েবসাইটটি খুবই ফাস্ট হবে।

এভাবেই ক্লাউড সার্ভার কাজ করে।

ক্লাউড সার্ভার ব্যবহার করলে যদি আপনার কাছের কোনো সার্ভার বন্ধ হয় কিছুক্ষনের জন্য তাহলে ওই website টি বন্ধ হবে না। অন্য কম্পিউটার সার্ভার থেকে website টি লোড হবে।

যার ফলে ক্লাউড সার্ভারে থাকা website কখনো বন্ধ হয় না। একটি কম্পিউটার বন্ধ থাকলে অন্য জায়গাতে থাকা কম্পিউটারের মধ্যে website টি সেভ থাকবে।

এবং আপনার ওয়েবসাইটটি অন্য কোন সার্ভার থেকে লোড হবে।

এছাড়া ওয়েবসাইট যদি কখনো হ্যাক হয়ে যায় তাহলে ওই ওয়েবসাইটে র ডাটা অন্য সার্ভার এ থাকবে। তাই ক্লাউড হোস্টিং এ থাকা website অনেক সিকিউর।

এছাড়াও ক্লাউড হোস্টিং এ থাকা website এ অনেক বেশি ভিজিটর এলেও কোনো সমস্যা নেই। কারণ এখানে অনেক কম্পিউটার আছে একে অপরের সঙ্গে যুক্ত তাই একটি কম্পিউটার ডাউন হলেও যেকোনো কম্পিউটার থেকে অনায়াসে website টি লোড হতে সক্ষম এবং বেশি ভিজিটর কে সামলাতে সক্ষম।

কখন ক্লাউড হোস্টিং ব্যাবহার করবেন?

যখন আপনার ওয়েবসাইটে বিশ্বের বিভিন্ন জায়গা থেকে ট্রাফিক আসে। তাহলে ক্লাউড হোস্টিং খুবই ভালো। কারণ ক্লাউড হোস্টিং এর বিভিন্ন জায়গাতে সার্ভার থাকে। এতে আলাদা আলাদা জায়গার ভিজিটর নিজেদের সবচেয়ে কাছের সার্ভার থেকে website এ ভিজিট করতে পারবে। এতে website খুব তাড়া তাড়ি লোড হবে।

এছাড়া যদি আপনার ওয়েবসাইটে খুব বেশি ট্রাফিক আসে যা ডেডিকেটেড সার্ভার সামলাতে পারছে না। তাহলে ক্লাউড সার্ভের ব্যাবহার করলে website এর ট্রাফিক সহজেই হ্যান্ডেল করতে পারবে।

এর কারণ হলো একটু সার্ভার যদি বেশি ট্রাফিক কে হ্যান্ডেল করতে না পারে তাহলে অন্য সার্ভার আছে ওই সার্ভার থেকে website টি লোড হবে।

ক্লাউড সার্ভের কখন ব্যাবহার করা ঠিক নয়

ক্লাউড সার্ভের ব্যাবহার যেকোনো সময়ই করতে পারেন। কিন্তুু নতুন ওয়েবসাইট এ যেহেতু বেশি ট্রাফিক আসে না তাই ক্লাউড server এর জন্য বেশি টাকা খরচ করে খুব একটা লাভ নেই।

তাই নতুন ওয়েবসাইট এ ক্লাউড সার্ভার ব্যাবহার না করলেও চলে। ধীরে ধীরে ট্রাফিক এর পরিমাণ বাড়লে ক্লাউড server ব্যাবহার করতে পারেন।

ক্লাউড server এর দাম তুলনাূলকভাবে share হোস্টিং ও VPS হোস্টিং এর থেকে বেশী হয়।

মোটামুটি ৮০০ টাকার এর মধ্যে ক্লাউড হোস্টিং পাওয়া যায় একমাসের জন্য । এর থেকে দামিও আছে।

ক্লাউড হোস্টিং এর সুবিধা

  • খুবই ফাস্ট হয়।
  • সার্ভার ডাউন হওয়ার সমস্যা নেই।
  • সিকিউর হয়।
  • বেশি ট্রাফিক হ্যান্ডেল করতে পারে।

ক্লাউড হোস্টিং এর অসুবিধা

  • দাম কিছুটা বেশি। ( খুব বেশি নয়)

উপসংহার

আমার মতে যদি আপনি নতুন কোনো ওয়েবসাইট শুরু করেন তাহলে ওয়েবসাইটে বেশি ট্রাফিক আসবে না সেক্ষেত্রে নতুন ওয়েবসাইটকে শেয়ার হোস্টিং প্রোভাইডার এর থেকে হোস্টিং করতে পারেন।

ধীরে ধীরে যদি ওয়েবসাইটের ভিজিটর সংখ্যা বৃদ্ধি পায় তাহলে ক্লাউড হোস্টিং ব্যবহার করাটাই লাভজনক।

কারণ ক্লাউড হোস্টিং এর সার্ভার ডাউন হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। সেই সঙ্গে ক্লাউড হোস্টিং এর দাম খুব একটা বেশি নয় এবং খুবই সিকিউর।

ভিপিএস সার্ভার কিংবা ডেডিকেটেড সার্ভার ব্যবহার করলে ডেডিকেটেড সার্ভার এর আশেপাশে জায়গার ভিজিটর রা তাড়াতাড়ি ওয়েবসাইট খুলতে পারবেন। বাকি অন্যান্য জায়গার ভিজিটররা ওয়েবসাইট খুলতে গেলে একটু বেশি সময় লাগবে। সেই সঙ্গে সার্ভার যদি মেইনটেনেন্স করা হয় কিংবা কোনো কারণে ডাউন হয় তাহলে আপনার ওয়েবসাইটটি সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে।

এর জন্যই বর্তমানে ক্লাউড হোস্টিং ব্যবহার করাটাই বেশি ভালো।

শেয়ার করুন

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *