অনলাইনে ইনকাম করুন: ইন্টারনেটে ১৬ টি উপায়ে প্রচুর আয়

অনলাইনে ইনকাম করার উপায়

বর্তমান দিনে প্রায় প্রত্যেকেই অনলাইনে অনেকটা সময় কাটিয়ে ফেলি, অনেকেই বলে থাকেন ঘরে বসে, অনলাইন থেকে ইনকাম করা যায় কি? আর কত টাকা ইনকাম করা যেতে পারে অনলাইনে? আরো অনেক তথ্য যেমন অনলাইনে আয় (Online earning)করে নিজের ভবিষ্যত বানাতে পারা সম্ভব কি? কিম্বা অনলাইনে ইনকাম (Online এ income) করে ফ্যামিলি চালানো সম্ভব কি?


সূচীপত্র দেখুন

অনলাইনে আয় করা সম্ভব কি?

অবশ্যই, অনলাইনে কাজ করে আয় করা সম্ভব। অনেক রকমের কাজ করতে পারেন যার মাধ্যমে earning করা যায়। অনেক কাজ করে সামান্য কিছু ইনকাম করা যায় আবার কিছু কাজ আছে যা করে প্রচুর টাকা আয় করা সম্ভব।

যেসব কাজ যত সহজ, সেই কাজ করে ততোই কম আয় করতে পারবেন। একইভাবে কাজটি যত কঠিন ও অধিক সময় লাগে সেই কাজ করে ততো বেশি আয় করা সম্ভব হবে।

ইন্টারনেটে (Internet এ) অনেক কাজীই আছে যা অনেক স্বল্প পারিশ্রমিকের এবং অনেক কাজ আছে যা সঠিক ভাবে করতে গেলে কিছুটা সময় লাগবে কিন্তু ওই কে করলে একটি সফল ভবিষৎ বানিয়ে দিতে পারে।

অনলাইনে কিছু কিছু কাজ আছে যা সঠিকভাবে করলে ইনকাম করার কোনো সীমা নেই। আপনি যদি সঠিভাবে কাজ করেন তাহলে মাসে লাখ লাখ  এমনকি কোটি কোটি টাকাও income যেতে পারে।


কত টাকা ইনকাম করা সম্ভব ?

কিন্তুু আপনি যদি সঠিকভাবে কাজ না করেন , অথবা অনলাইনে আয় করার জন্য যে চিন্তাধারা চাই তা যদি না থাকে। তাহলে, ১ টাকাও আয় নাও হতে পারে।

তবে বলে রাখি, কিছু কিছু কাজ অনলাইনে আছে যা করে শুধুমাত্র পকেট খরচের মতো ইনকাম করা যায় আবার কিছু কিছু কাজ আছে যা করে নিজের ভবিষ্যৎ বানানো যায়।

তাই ইনকাম করতে হলে আপনাকে সঠিক পদ্ধতিতে পরিশ্রম করে যেতে হবে। অনলাইনে পরিশ্রম করার অর্থ হলো এখানে আপনাকে শারীরিভাবে কাজ করতে হবে না কিন্তূ মাথার দিক দিয়ে খুবই পরিশ্রম করতে হবে।


অনলাইনে কাজ করে নিজের ভবিষ্যত বানানো কিংবা ফ্যামিলি চালানো সম্ভব কি ?

অনলাইনে (Online) ইনকাম করে নিজের ভবিষত বানানো সম্ভব এবং সংসার চালানোও সম্ভব। যদি সঠিকভাবে কাজ করতে পারেন তাহলেই সম্ভব।

লাখ লাখ মানুষ অনলাইনে থেকে earn করে নিজেদের ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত করেছে এবং সুন্দর ভাবে ফ্যামিলি চালাতে সক্ষম।

আমি এই আর্টিকেলে অনলাইনে যে কাজগুলি সমন্ধে জানাবো সেগুলি করে নিজের ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে পারবেন অথবা পার্ট টাইম (Part-Time) হিসেবে কাজ করে, অতিরিক্ত (extra) ইনকাম (Income) করতে পারেন।

আমি নিচে, ১৬ টি কাজ করে অনলাইন ইনকাম করতে পারবেন, এগুলি সমদ্ধে লিখলাম সেই সংগে কত টাকা আয় (earn) করা যেতে পারে এর একটা অনুমান দেব। তাই পড়তে থাকুন।


অনলাইনে আয়ের ১৬ টি উপায়:

১. ফ্রিল্যান্সিং (Freelancing)

ফ্রিল্যান্সিং করে প্রচুর ইনকাম করা যায় , বর্তমানে প্রচুর ফ্রীল্যান্সার আছে যারা শুধু মাত্র অনলাইনে ফ্রীলাসিং করেই একটি সফল জীবন যাপন করছে। ফ্রীলাসিং করে ঘরে বসে ইনকাম করার কোনো সীমা নেই , ফ্রীলাসিং এ আপনি যত বেশি কাজ করবেন তত বেশি আয় করতে পারবেন।

সফল ফ্রীলান্সার হতে গেলে সময় লাগবে, একবার পরিচিতি বানিয়ে ফেললে প্রচুর কাজ পেতে পারেন।


২. ব্লগিং (Blogging)

ব্লগিং করে প্রচুর মানুষ আছে যারা নিজেদের স্বাচ্ছন্দ জীবন কাটাচ্ছে। যারা ব্লগিং করেন ওদের ব্লগার বলা হয়। পৃথিবীতে প্রচুর ব্লগার যাচ্ছে যারা শুধুমাত্র ব্লগিং করে কোটিপতি হয়েছেন।

সহজ ভাষাতে ব্লগিং মানে হলো আপনি যে এই পোস্টটি পড়ছেন, এটিই হলো একটি ব্লগ
Arianna Huffington হলেন পৃথিবীর মধ্যে সব থেকে ধনী ব্লগার এনি মাসে ২.৩ মিলিয়ন আমেরিকান ডলার আয় (earn) করেন।
এছাড়াও কত নিউজ চ্যানেল আছে এই সব নিউজ চ্যানেল ব্লগিং করে থাকে। এবং ওই নিউজ চ্যানেল গুলি ব্লগিং করে অনেক টাকা ইনকাম করে
আপনি গুগলে যা কিছু সার্চ করেন এগুলি টা সমস্ত ব্লগার রাই লিখে থাকে।
আপনিও যদি এমন কিছু জানেন যা লিখতে চান তাহলে website বানিয়ে লিখতে পারেন। এবং যদি আপনার ওয়েবসাইট টি সফল হয় তাহলে অনেক টাকা আয় করা সম্ভব।


৩. অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং (Affiliate Marketing)


অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এর অর্থ হলো আপনি যদি কোনো কোম্পানি এর প্রোডাক্ট অথবা সার্ভিস আপনার দ্বারা বিক্রি করিয়ে দিতে পারেন তাহলে আপনি ওই প্রোডাক্ট বিক্রি এর দরুন। ওই বিক্রয়মূল্য কিছু শতাংশ টাকা পাবেন
এটাই হলো অ্যাফিলেট মার্কেটিং।

একবার website বানিয়ে ফেলতে পারলে ওই website যে ভিজিটর আসবে ওখানে affiliate মার্কেটিং করতে পারেন।
ওয়েবসাইট ছাড়াও বিভিন্ন উপায়ে Affiliate মার্কেটিং করতে পারেন। ওই উপায় গুলো জানতে নিচের লিংকে ক্লিক করুন।

  • জানুন অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং কিভাবে করবেন সমস্তকিছু বিস্তৃতভাবে

৪. অনুবাদক (Translator)

যদি আপনি ইংরেজি থেকে অন্য কোন ভাষাতে অনুবাদ (translate) করতে পারেন তাহলে অনুবাদ করার জন্য ঘরে বসে অনলাইনে অনেক কাজ পাওয়া যায়।
বিভিন্ন কোম্পানির বিভিন্ন ভাষাতে ট্রান্সলেট করার কাজ করতে পারেন।


উদাহরণ হিসেবে, যেহেতু আপনি বাংলা জানেন এবং সেই সঙ্গে যদি ইংরেজি (english) ও ভালোভাবে জেনে থাকেন তাহলে English থেকে বাংলায় অনুবাদ করার কাজ পেতে পারেন।


কাজ পাওয়া জন্য বিভিন্ন ফ্রিল্যান্সিং সাইটে (যেমন Fiverr.com , upwork.com , freelancer.com এছাড়াও অনেক ফ্রীলেসিং website আছে ) নিজের প্রোফাইল বানাতে পারেন। সেই অনুযায়ী কাজ পেতে পারেন।

আপনার সন্তুষ্টির জন্য, নিচে একটি স্ক্রিনশট দিলাম দেখে নিন, অনেকেই এভাবে অনলাইনে ঘরে বসে ইনকাম করছে ইংরেজি থেকে বাংলাতে অনুবাদ (translate) করে।

English to Bengali translator
এটি fiverr এর মধ্যে অনেকেই ট্রান্সলেট করার কাজ করছে দেখুন। ৫০০ ওয়ার্ড ট্রান্সলেট করার জন্য ৩৮৭ টাকা চার্জ করছে দেখুন।

৫. ওয়েব ডিজাইনিং (Web Designing)

বিভিন্ন কোম্পানি আছে, যাদের website এর দরকার হয়। এবং আপনি ঐসব কোম্পানির website বানিয়ে দিতে পারেন।
এর জন্য coding , ও website ডিজাইনিং এর দক্ষতা থাকতে হবে।

যদি আপনি ওয়েব ডিজাইনিং সমন্ধে না জানেন, তাহলে শিখে নিতে পারেন।

শেখার জন্য, অনলাইনে শিখে নিতে পারেন এছাড়া আপনার কাছের কোনো ইনস্টিটউট থেকেও web ডিজাইনিং এর কাজ শিখে নিতে পারেন।

যদি আপনি ঘরে বসে অনলাইনে ওয়েব ডিজাইনিং শিখতে চান তাহলে Udemy.com থেকে শিখে নিতে পারেন খুবই কম খরচে। এবং অনলাইনে আয় করার রাস্তা খুলতে পারেন।


৬. ডিজিটাল মার্কেটার (Digital Marketer)

আপনি অনলাইনে ডিজিটাল মার্কেট্যার হিসেবেও কাজ করতে পারেন। যেমন কোন কোম্পানির মার্কেটিং করা (ডিজিট্যাল)

আপনি যদি, fiverr.com এ ভিজিট করেন তাহলে দেখতে পাবেন অনেক কোম্পানি নিজেদের কোম্পানির মার্কেটিং এর জন্য ডিজিটাল মার্কেটার খুঁজছে।

আপনার যদি ডিজিটাল মার্কেটিং সমন্ধে সঠিক জ্ঞান (Knowledge) থাকে, তাহলে ডিজিট্যাল মার্কেটার হিসেবে অনলাইনে কাজ করতে পারেন।

অনেক কোম্পানি যাদের কাজ হলো যারা শুধু অন্যান্য কোম্পানির মার্কেটিং করে ডিজিটালি। চাইলে কোম্পানি থেকে কাজ নিতেও পারে।

তাই সবার প্রথমে ডিজিটাল মার্কেটিং শিখতে হবে।


৭. সোশ্যাল মিডিয়া থেকে ইনকাম

বিভিন্ন সোশাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম আছে যা আমরা প্রতিদিন ব্যাবহার করেই থাকি। শুধু তাই নয় স্মার্ট ফোনে এগুলো ব্যাবহার করা খুবই সহজ হয়ে গেছে।

সম্ভবত আপনি যদি সোশাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ব্যাবহার করে থাকেন (অর্থাৎ ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, টুইটার, স্ন্যাপচ্যাট ইত্যাদি )

এখানে উদাহরন হিসেবে আমি ফেসবুক কে নিচ্ছি , যদি আপনি ফেসবুক ব্যাবহার করে থাকেন তাহলে, আপনি দেখেছেন, অনেক ফেইসবুকে পেজ(page) ও গ্রুপ (group) থাকে। এবং ওই group অথবা পেজ কে প্রচুর লাইক (like) করে থাকে।

লাইক( like) করেছে অর্থাৎ ফলো (follow) করে রেখেছে ফেসবুক ব্যবহারকারীরা। এবার যখনই ওই পেজ থেকে কোনো কিছু পোস্ট করবে তখন ওই ফলোয়ার রা দেখতে পাবে।

এর ফলে কোনো কম্পানির প্রচার করেন তাহলে ওই পেজের ফলওয়ার রা দেখতে পাবে।

আপনিও যদি এরকম ফেসবুকের follower বানিয়ে নিয়ে পারেন তাহলে বিভিন্ন কোম্পানির কাছ থেকে অফার পেতে পারেন বিজ্ঞাপন দেওয়ার জন্য।

এই পদ্ধতিতে অনেক follower থাকা পেজ অথবা group ইনকাম করে।


৮. কন্টেন্ট রাইটিং (Content writing)

কন্টেন্ট রাইটিং (Content Writing) এর মানে হলো , অন্য কোনো ওয়েবসাইটের জন্য কনটেন্ট লেখার কাজ।

কোনো একটি ওয়েবসাইটের জন্য যদি ১০০০ ওয়ার্ড এর আর্টিকেল লিখে দেন। তাহলে, ওই আর্টিকেল এর দরুন, সবথেকে কম ২৫০ টাকা চার্জ করতে পারবেন।

লেখার মূল্য নির্ভর করবে দক্ষতা (Experience)কোন বিষয়ে লিখছেন, এই দুটি জিনিসের ওপর নির্ভর করে দাম ঠিক হয়। যদিও বর্তমানে সবথেকে কম ০.২৫ প্রতি ওয়ার্ড লেখার জন্য নেওয়া হয়ে থাকে।

  • কনটেন্ট রাইটিং (content writing) সমন্ধে আরো জানুন

৯. ইউটিউব (YouTube)

বর্তমান দিনে একটি যদি YouTube চ্যানেল থাকে এবং ওই চ্যানেলে যদি ১০০০ সাবস্ক্রাইবার (Subscriber) থাকে। তাহলে, আপনার অনলাইনে আয় করার অনেক রাস্তা খুলে যাবে

এর কারণ হলো, ইউটিউবে আপনি একটি পরিচিতি পাবেন, আর এই পরিচিতি এর জন্য প্রচুর অনলাইনের কাজ পেতে পারেন। সেই সংগে যদি ইউটিউবে (YouTube এ ) সাবস্ক্রাইবার থাকে। তাহলে, ভিডিও বানিয়ে গুগল অ্যাডসেন্স (Google AdSense) থেকে ইনকাম (Income) করতে পারবেন।

গুগল অ্যাডসেন্স ছাড়াও আরো অনেক রাস্তা আছে YouTube থেকে আয় করার, এর মধ্যে অন্যতম হলো, অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং (affiliate marketing) করতে পারবেন।

এছাড়াও কোনো কোম্পানির পণ্য (product) অথবা সার্ভিস (Service) এর বিজ্ঞাপন দিয়ে ইনকাম করতে পারবেন আরো অনেক রাস্তা আছে যার মাধ্যমে আয় (Earn) করা যেতে পারে ইউটুব (YouTube) থেকে।

  • আরো জানুন কিভাবে ইউটিউব থেকে ইনকাম করা যায়।

১০. অনলাইন বিক্রেতা (Online seller)

বর্তমান দিনে আমরা প্রচুর জিনিস অনলাইন থেকে কিনে থাকি এবং দিনের পর দিন এর পরিমাণ বেড়েই চলেছে। এজন্যই অনলাইনে পণ্য (Product) বিক্রি করে প্রচুর আয় করা যায়।

অ্যামাজন (amazon) ফ্লিপকার্ট(Flipkart) এর মত বিভিন্ন ই-কমার্স ওয়েবসাইট আছে, যেখানে আপনি অনলাইনে আপনার প্রোডাক্ট বিক্রি করতে পারবেন।

অনলাইনে পণ্য বিক্রি করার জন্য আপনাকে আলাদা করে কোনো দোকান খুলতে হয় না। জিনিসপত্র সরাসরি অনলাইনে লিস্ট করে দিলে, online থেকে কাস্টমার কিনতে (Buy) পারে এবং আপনি ওই কাস্টমারের ঠিকানাতে কুরিয়ারের (courier) মাধ্যমে জিনিসপত্র পাঠাতে পারবেন।

আর এই পদ্ধতিতে কোটি কোটি টাকা বিক্রয় করে উপার্জন করে থাকেন প্রচুর মানুষ।

আমরা যদি অ্যামাজনের ওয়েবসাইট টি খুলি তাহলে দেখতে পাবো, কোটি কোটি প্রোডাক্ট লিস্টিং করা আছে এবং ওই প্রডাক্ট টি লিস্টিং করেছে বিভিন্ন জায়গার বিক্রেতারা, এবং item টি সমস্ত জায়গার মানুষ কিনতে পারে।

অনলাইনে বিক্রয় করার সুবিধা হল, আপনি পৃথিবীব্যাপী কাস্টমার পেয়ে যেতে পারেন। যার ফলে বিক্রি হওয়ার সুযোগ অনেক বেশি।

  • অনলাইনে জিনিসপত্র কিভাবে বিক্রি করবেন এসব মনের জানতে আরও পড়ুন।

১১. অনলাইন শিক্ষক (Online Teacher)

অনলাইনে শিক্ষক হিসেবে কাজ করেও আয় করা যায়। বিভিন্ন ওয়েবসাইট আছে যেমন unacademy, byju আরো অনেক ওয়েবসাইট আছে যেখানে অনলাইনে শিক্ষকতা করে অনলাইনে আয় করতে পারেন।

এছাড়াও আপনি যদি ভালো ইংরেজি জেনে থাকেন। তাহলে, অনলাইনে ইংরেজি শেখাতে পারেন। Cambly.com এই ওয়েবসাইটে গিয়ে নিজের প্রোফাইলে বানিয়ে ইংরেজি শেখাতে পারেন। এবং প্রতি ঘন্টা হিসেবে আয় করতে পারেন।

এরকম অনেক ওয়েবসাইট আছে যদি আপনি গুগল এ সার্চ করেন তাহলে খুঁজে পেতে পারেন। আমি শুধু একটি ধারণা দিলাম।


১২. কিন্ডলী ই-বুক (Kindly eBook)

আপনি কি বই লিখতে পছন্দ করেন? যদি বই লিখতে ভালোবাসেন, তাহলে ঘরে বসে অনলাইনে ই-বুক (eBook) প্রকাশ (Publish) করে ইনকাম করতে পারেন।

এবং বইটি সরাসরি Kindly তে পাবলিশ করতে পারবেন, এবং পৃথিবীব্যাপী সমস্ত বইপড়া মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে পারেন। কিন্ডলী হলো amazon এরই একটি প্লাটফর্ম, আমাজন কিন্ডলী তে বই পাবলিশ করলে এটি বিক্রি হওয়ার সুযোগ অনেক বেশি কারণ আমাজানের ওয়েবসাইটে প্রচুর মানুষ ভিজিট করেন।

আমাজন কিন্ডলী(amazon Kindly) ছাড়াও আরো অনেক ওয়েবসাইট আছে। যেখানে, বই বিক্রি করতে পারেন। যেমন, BooksFundr এবং Pblishing.com এই দুটি ওয়েবসাইটেও নিজের লেখা বই প্রকাশ (publish) করতে পারবেন এবং অনলাইন থেকে আয় করতে পারবেন।


১৩. সরাসরি অনলাইনে বিক্রয় করা

প্রচুর মানুষ অনলাইনে সরাসরি জিনিসপত্র বিক্রি করেন।যার উদাহরণ হল ফেইসবুক মারকেটপ্লেস (marketplace), OLX, কুইকার (quikr), এছাড়াও অনেক ওয়েবসাইট আছে যেখানে, জিনিসপত্রের ছবি লিস্ট করে সরাসরি কাস্টমার পেতে পারেন

আমি অনেককেই দেখেছি, যারা অনলাইনে পুরনো কম্পিউটারের কেনাবেচা করে থাকেন, অনেকে পুরনো গাড়ির, এভাবেই নিজেদের ব্যবসা চালিয়ে যান।

এছাড়াও, নতুন জিনিসপত্র অনলাইনে সরাসরি কাস্টমারকে বিক্রি করতে পারেন। অনেকেই এই কাজ করে থাকেন। এসব ক্ষেত্রে, আপনার কাছের কাস্টমারকে খুঁজে পেতে পারেন অনলাইন।

এখানে সরাসরি জিনিসপত্র বিক্রি করতে চাইছেন। তাই, এখানে কিছুটা risk আছে। তাই সাবধানতা মেনে চলা উচিত।


১৪. ডাটা এন্ট্রি (Data entry)

ডাটা এন্ট্রি এর কাজ ধীরে ধীরে কম হচ্ছে। তাও অনেকে কাজই আছে ডাটা এন্ট্রির। যা করে, ইনকাম করতে পারেন।

সবথেকে ভালো ব্যাপার হলো এটি করার জন্য খুব একটা বেশি কোনো দক্ষতা এর দরকার নেই। শুধু ইন্টারনেট ও কম্পিউটার , ল্যাপটপ থাকলেই, এই কাজটি করা সম্ভব।

বর্তমানে অনেকেই মিথ্যে ডাটা এন্ট্রি এর কাজ দেওয়ার নাম করে ভয় দেখিয়ে টাকা নিয়ে নিতে পারে। তাই আপনি যদি ডাটা এন্ট্রির কাজ করতে চান তাহলে fivrr.com থেকেই কাজ নেওয়ার চেষ্টা করবেন। আর একটি কথা কোনো এগ্রিমেন্টে সই করতে যাবেন না । শুধু মাত্র টাকার বিনিময়ে কাজ করার চেষ্টা করবেন।


১৫. পিটিসি ওয়েবসাইট (PTC Website)

PTC এর পুরো নাম হলো Paid to Click। অর্থাৎ, ক্লিক করার জন্য টাকা পাবেন।

অনেক ওয়েবসাইট যাচ্ছে যেখানে বিজ্ঞাপনে (advertisement এ ) ক্লিক করার জন্য টাকা দেওয়া হয়। এই কাজটি করার জন্য ইন্টারনেট ও একটি মোবাইল কম্পিউটার হলেই চলবে।

এটি করে স্কুল ,কলেজ এর ছাত্ররা হাত খরচের জন্য করতে পারে। এখানে খুব বেশি আয় করা যায় না।

NeoBux.com, buxp.com এবং clicsense.com এগুলি হলো কিছু পিটিসি সাইট এর উদহারণ।


১৬. গ্রাফিক্স ডিজাইনিং (Graphics Designing)

গ্রাফিক্স ডিজাইনিং করে ঘরে বসে অনলাইনে কাজ করে earning করতে পারবেন।

গ্রাফিক্স ডিজাইনিং কি , কেন করা হয় এসব সমন্ধে অন্য পোস্ট এ লিখেছি। তাই অন্য পোস্টার লিংক টি নিচে দিলাম। যদি জানতে চান গ্রাফিক্স ডিজাইনিং কে সম্পূর্ণভাবে তাহলে নিচের লিংকে ক্লিক করে পরে নিন।


উপসংহার (Conclusion):

উপরের যতগুলি উপায় দিলাম, ঐগুলির মধ্যে এই কাজগুলি কাজ করে নিজের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ বানাতে পারেন। (যেমন, ফ্রিল্যান্সিং,ব্লগিং,অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং ,ওয়েব ডিজাইনিং,ডিজিটাল মার্কেটার,সোশ্যাল মিডিয়া থেকে ইনকাম,কন্টেন্ট রাইটিং,ইউটুব,অনলাইন বিক্রেতা,কিন্ডলী ই-বুক, গ্রাফিক্স ডিজাইনিং )

এবং অনুবাদক, ডাটা এন্ট্রি, অনলাইন শিক্ষক, সরাসরি অনলাইনে বিক্রি,পিটিসি ওয়েবসাইট এই কাজ গুলি অতিরিক্ত আয় (extra income) করার জন্য করতে পারেন, কারণ এর ভবিষ্যৎ খুব একটা স্পষ্ট নয়। যদি আপনার মনে হয় Full Time করবেন, তাহলে full time করতেও পারেন।

আরো জানুন : অনলাইন জব ঘরে বসে ইনকাম করার সেরা উপায়গুলি।

শেয়ার করুন

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *